Thursday, February 7, 2019

Syria war: Families and fighters flee IS's last village












Islamic State group (IS) members and their families have been fleeing the group's last sliver of territory in eastern Syria, as US-backed militia advance towards them.

Men, women and children, some with serious injuries, others describing running out of food, have been leaving the group's rapidly shrinking enclave, which the US military on Tuesday said amounted to about 50 sq km (20 sq miles).

They have been arriving at the village of Baghuz to surrender to the US-backed Kurdish-led Syrian Democratic Forces (SDF).

On Wednesday US President Donald Trump said said territory held by the Islamic State group in Syria and Iraq could be "100%" liberated as early as next week.

    After the caliphate: Has IS been defeated?
Many of those arriving in Baghuz have injuries, including those sustained from incoming strikes by the array of forces battling IS.

SDF commanders were negotiating with IS over a possible deal to free several SDF members held captive by IS and possibly give the militants safe passage to the province of Idlib in north-western Syria, which is not under Syrian government control, the New York Times reported.

Friday, November 23, 2018

Brexit: DUP may revisit confidence and supply deal, says Foster

The DUP would have to revisit its confidence and supply deal with the Tories if Theresa May's Brexit deal passes through parliament, Arlene Foster has said.

The DUP leader said her agreement with the Conservatives had been intended to provide the UK with national stability and to deliver on Brexit.

She was speaking on Radio Ulster's Inside Politics programme.

The DUP is holding its annual conference this weekend.

    Brexit deal: NI business and farming community reacts to proposals
    Reality Check: Brexit withdrawal agreement - what it all means

"If this is not going to deliver on Brexit then of course that brings us to the situation of looking again at the confidence and supply deal.

"But we are not there yet," she said.

The DUP leader insisted the government should "ditch the Irish backstop" and recognise that, in practice, nobody will implement a hard border on the island of Ireland.

She argued that the prospect of such a hard border has taken on a "mythical status" in the Brexit negotiations.

Mrs Foster argued that the EU Withdrawal Agreement as it stands will not get the support of parliament.

source:  https://www.selfgrowth.com/

India's Andaman and Nicobar islands.

Fishermen who took the man to North Sentinel island say tribespeople shot him with arrows and left his body on the beach.
He has been identified as John Allen Chau, a 27 year old from Alabama.
Contact with the endangered Andaman tribes living in isolation from the world is illegal because of the risks to them from outside disease.
Estimates say the Sentinelese, who are totally cut off from civilisation, number only between 50 and 150

Wednesday, November 21, 2018

American 'killed in India by endangered Andamans tribe'

An American man has been killed by an endangered tribe in India's Andaman and Nicobar islands.
Fishermen who took the man to North Sentinel island say tribespeople shot him with arrows and left his body on the beach.
He has been identified as John Allen Chau, a 27 year old from Alabama.
Contact with the endangered Andaman tribes living in isolation from the world is illegal because of the risks to them from outside disease.
Estimates say the Sentinelese, who are totally cut off from civilisation, number only between 50 and 150.

Wednesday, August 8, 2018

বাংলাদেশের ক্রিকেট তারকা বনাম ‌‘অবুঝ’ ভক্ত

সেলফি-অটোগ্রাফের আবদার ক্রিকেট তারকাদের সময়ে-অসময়ে মেটাতে হয়। কিন্তু এমন অনেক সময় বা পরিস্থিতি থাকে, যখন তারকাদের পক্ষে ভক্তের আবদার মেটানো সম্ভব হয় না। আর তখনই হয় ভুল বোঝাবুঝি। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে সাকিবের সঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়।
ফ্লোরিডায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজনির্ধারণী ম্যাচ শেষে টিম হোটেলের লবিতে এক ভক্তের দিকে সাকিব আল হাসানের তেড়ে যাওয়ার ভিডিও নিয়ে এখন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে জোর আলোচনা। বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে ভক্তদের এমন অনভিপ্রেত ঘটনা নতুন নয়; সাকিবের সঙ্গে তো নয়ই। এসব ঘটনায় ক্রিকেটাররা বেশি সমালোচিত হন। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সমর্থকেরা খেলোয়াড়দের এমন জায়গায় নিয়ে যান, যেখানে দাঁড়িয়ে মাথা গরম করতে বাধ্য হন তাঁরা।Eprothomalo

২০১৩ সালে সিলেটে বিজয় দিবস টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট চলার সময় এক দর্শকের শার্টের কলার চেপে ধরার ঘটনা নিয়ে সাকিবকে বেশ বিতর্কের মুখে পড়তে হয়েছিল। এ ঘটনা ঘটেছিল প্রাইম ব্যাংকের ড্রেসিংরুমের সামনের গ্যালারিতে। প্রাইম ব্যাংক ও মোহামেডানের খেলা শুরুর আগে অনুশীলন থেকে ড্রেসিংরুমে ফেরার পথে এক দর্শক সাকিবের কাছে অটোগ্রাফ চেয়েছিলেন। ওই সময়ে অটোগ্রাফ দিতে না চাইলে সাকিবকে উদ্দেশ করে ওই দর্শক কটূক্তি করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সাকিব গ্যালারিতে গিয়ে দর্শকের কলার চেপে ধরেন। পরে স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ ওই দর্শককে মাঠ থেকে বের করে দেয়।

২০১৪ সালের জুনে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ চলার সময় স্ত্রীকে উত্ত্যক্ত করায় এক বখাটে দর্শকের সঙ্গে লেগে যায় সাকিবের। স্ত্রীকে উত্ত্যক্ত করলে স্বামী নিশ্চয়ই বসে থাকতে পারেন না। সাকিবও থাকেননি। কিন্তু তার দোষটা ছিল, স্ত্রীর উত্ত্যক্তকারীর ওপর তিনি চড়াও হয়েছিলেন ম্যাচ চলাকালে, ড্রেসিংরুম থেকে বেরিয়ে গিয়ে। পরে এটির জন্য বিসিবির শাস্তিও পেতে হয় তাঁকে।

তামিম ইকবালের সঙ্গেও ভক্তের বিতর্কিত ঘটনা আছে। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের নেটে ব্যাটিং করছিলেন বাঁহাতি ওপেনারের। এ সময় পেছন থেকে এক দর্শকের মন্তব্য, ‘ম্যাচের সময় তো এই বাড়ি লাগে না!’ বিরক্ত তামিম শুরুতে বাজে ভাষায় প্রতিবাদ জানাতে গিয়েও থেমে যান। পরে সুন্দরভাবে তাদের বুঝিয়ে বলেন, ‘আপনাদের কোনো কাজ নেই? আমি একটু অনুশীলন করছি, ভালো করার চেষ্টা করছি। আর আপনারা এখানে এসে ফালতু কথা বলছেন। নিজেদের কাজ করেন।... আপনি যদি ভালো পারেন, আসেন এখানে, ব্যাটিং করেন।’ পরে দর্শকেরা ‌‘সরি’ বলে কেটে পড়েন। এখন অবশ্য সমালোচক কিংবা মুগ্ধ দৃষ্টিতে মিরপুরে তামিমদের অনুশীলন দেখার সুযোগ নেই। খেলোয়াড়দের নির্বিঘ্নে অনুশীলনের সুযোগ করে দিতে মাঠের চারদিক কংক্রিটের দেয়ালে ঘিরে দেওয়া হয়েছে।

সেলফি-অটোগ্রাফের আবদার তারকাদের সময়ে-অসময়ে মেটাতে হয়। সাকিব এক সাক্ষাৎকারে বলছিলেন, ‘বেশির ভাগ সময়ে সেলফি তুলতে বিরক্ত লাগে না। তবে দু-একটা পরিস্থিতি আছে যখন মনে হয় , এখন নয়।’ এমন এক কঠিন পরিস্থিতিতে সাকিবকে কীভাবে ভক্তের আবদার মেটাতে হয়েছিল, একবার সে গল্প শুনিয়েছিলেন। ২০১৫ সালের নভেম্বরে স্ত্রীর প্রসববেদনার খবর শুনেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ রেখে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন তিনি। দুবাইয়ে ট্রানজিটে থাকার সময়ই সন্তান জন্মের আনন্দ সংবাদ পান। বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে স্কাইপেতে যখন স্ত্রী-সন্তানের মুখ দেখে আবেগে তাঁর চোখ ছলছল, তখন এক ভক্ত আবদার করছেন সেলফি তোলার! সাকিবের প্রশ্ন, ‘ওই মুহূর্তে কেন? আমার পরিস্থিতি কি বুঝবে না?’

মাশরাফি বিন মুর্তজার এই ঘটনাটা সামনে থেকেই দেখা। গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক তিন-চার দিনের ছুটিতে নড়াইলে রওনা দেবেন। তাড়াহুড়ো করে সন্ধ্যায় মিরপুরের বাসা থেকে রওনা দিলেন বিমানবন্দরে। তীব্র যানজটে পড়ে মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য ধরতে পারলেন না যশোরের ফ্লাইট। মাশরাফির মেজাজ যখন চরমে, ফ্লাইট হাতছাড়ার হওয়ার হতাশা যখন চোখে–মুখে, ঠিক তখনই এক ভক্ত এলেন সেলফি তুলতে। ভক্তকে যত বোঝানো যায়, তিনি ততই নাছোড়! মাশরাফি একটা পর্যায়ে ভীষণ বিরক্ত, অনেক কষ্টে নিজেকে সামলালেন। তবে হতাশা লুকাতে পারেননি অনেক ভক্ত পরিস্থিতি অনুধাবন করতে পারেন না বলে।

এসব পরিস্থিতিতে তারকা যদি মেজাজ হারিয়ে বসেন, তাহলে তাঁদের কি খুব বেশি দোষ দেওয়া যায়! তারপরও তারকাখ্যাতির ‘দায়িত্ববোধ’ বলে একটা কথা আছে, সেটি ভুলে গেলে কিন্তু চলে না।

আরও সংবাদ

Tuesday, August 7, 2018

ড. কামালকে কাদের, গুন্ডাতন্ত্র কাকে বলে?


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশে যখন শান্তিময় রাজনৈতিক পরিবেশ বিরাজ করছিল, ঠিক সে সময় ১/১১-এর কুশীলবেরা আবার রাজনৈতিক অঙ্গনে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অসম্ভব খেলায় মেতে উঠেছে। তিনি বলেছেন, ‘সবিনয়ে ড. কামাল হোসেনের কাছে জিজ্ঞেস করতে চাই, গুন্ডাতন্ত্র কাকে বলে?’
ধানমন্ডিতে আজ মঙ্গলবার বিকেলে আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ওবায়দুল কাদের।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের একজন কর্মীর চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে। সেই আহত কর্মীকে আপনারা হাইজ্যাক (ছিনতাই) করলেন ঘৃণ্য রাজনৈতিক উদ্দেশে। সেই কর্মীর চোখের অবস্থা খারাপ। আহত কর্মীর চোখের চিকিৎসার জন্য তাঁকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হবে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।Eprothomalo

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ছাত্রলীগের তিনটি শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখনো তারা ভালোভাবে গুছিয়ে উঠতে পারেনি। যারা আহত হয়েছে, তারা বেশির ভাগই সাবেক ছাত্রনেতা। যারা বর্তমানে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন উপকমিটিতে রয়েছেন। এদের মধ্যে ৪৬ জন আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, আহত হলাম আমরা। আক্রান্ত হলাম আমরা। এখন দেশে, বিদেশে সুপরিকল্পিতভাবে অপবাদ ছড়ানো হচ্ছে। আমাদের আক্রমণকারী হিসেবে নিন্দিত করে আমাদের দলের, ছাত্র সংগঠনের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে।

ছাত্রলীগের বিষয়ে মন্ত্রী কাদের বলেন, ‘আমি বলেছি ছাত্রলীগের কেউ জড়িত থাকলে তার তালিকা দিন। ঘটনায় ছাত্রলীগের কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে আমরা সাংগঠনিক ও আইনগতভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। বিচারের মুখোমুখি হতে আওয়ামী লীগের কোনো দ্বিধা নেই। শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে কেউ রেহাই পায়নি, পাবেও না।’

বিএনপির প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি কানাডার আদালতে ‘সন্ত্রাসী দল’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। চিহ্নিত সন্ত্রাসী হিসেবে দেশি-বিদেশি যে কুখ্যাতি বিএনপি অর্জন করেছিল, সেই কলঙ্ক আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ওপর চাপিয়ে দিতে চাচ্ছে। এই ঘৃণ্য ও জঘন্য অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, এসব সময়ে যারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চান, তারা সাংবাদিকদের টার্গেট করেন। সাংবাদিকদের টার্গেট করে ফায়দা লোটার চেষ্টা এ দেশে আরও অনেক আগে হয়েছে। পৃথিবীর অনেক দেশে এটা হয়। এ দেশেও আরও অনেকবার হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের রাজনীতিতে মতান্তর থাকবে। কিন্তু সেই মতান্তর এখন মনান্তরের সীমা অতিক্রম করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এটি জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক। দেশের গণতন্ত্রের জন্য, দেশের ভবিষ্যতের জন্য এটি দুর্ভাগ্যজনক। তিনি বলেন, ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতার জন্য দেশ ধ্বংস করে যারা রাজনীতি করে, তাদের সঙ্গে কী করে একটি ওয়ার্কিং আন্ডারস্ট্যান্ডিং হবে?

সাবেক প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজের দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তিনি যেকোনো কারণে হোক আমাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে এখন একটু দূরে। এটা তাঁর ব্যক্তিগত মতামত।’

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, এ কে এম এনামুল হক শামীম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর, কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, উপদপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

আরও সংবাদ
বিষয়:
রাজনীতিওবায়দুল কাদের
  

একনেকে পাস প্রিপেমেন্ট মিটার পাবেন ২ লাখ গ্রাহক

রাজধানীর ডেসকো এলাকায় স্মার্ট প্রিপেমেন্ট মিটার বসবে। ২০২০ সালের মধ্যে রাজধানীর দুই লাখ গ্রাহক এই ধরনের মিটার পাবেন। এতে বিদ্যুতের অপব্যবহার (সিস্টেম লস) কমাবে। এ জন্য ১৮৬ কোটি ৫০ লাখ টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ডেসকো এলাকায় স্মার্ট প্রিপেমেন্ট মিটার সরবরাহ ও স্থাপন প্রকল্প পাস হয়েছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলনকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।

বিদ্যুৎ বিভাগের ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) প্রকল্পটি ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করবে। যেসব এলাকায় প্রিপেমেন্ট মিটার বসবে সেগুলো হলো—মিরপুর, পল্লবী, আগারগাঁও, কাফরুল, শাহ আলী, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান, বনানী, বারিধারা, বাড্ডা, উত্তরা, উত্তরখান ও দক্ষিণখান এবং গাজীপুর জেলার টঙ্গী থানা। এই প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ হাজার সিঙ্গেল ফেজ ও ২০ হাজার থ্রি-ফেজ স্মার্ট প্রিপেমেন্ট মিটার দেওয়া হবে।Eprothomalo

পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, প্রিপেমেন্ট মিটার বসলে সিস্টেম লস কমে যাবে। মিটারের জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে মাসে মাসে টাকা কিস্তিতে কেটে রাখা হবে।

আজকের একনেক সভায় প্রকল্পটিসহ মোট ১১টি প্রকল্প পাস হয়। এতে মোট খরচ হবে ৬ হাজার ৪৪৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৬ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। আর প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা দেবে ৮ কোটি টাকা।

একনেক সভায় অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হলো ৩ হাজার ১৯৬ কোটি টাকার অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের নিমিত্তে ভূমি অধিগ্রহণ (নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার ও চট্টগ্রামের মিরসরাই) ; ১১৭ কোটি টাকার বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের আওতায় ৫টি বেসিক সেন্টারে ৫টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ১ টি ফ্যাশন ইনস্টিটিউট এবং ২টি মার্কেট প্রমোশন কেন্দ্র স্থাপন; ১৭৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকার রংপুরের পীরগঞ্জে ড. এম ওয়াজেদ মিয়া টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন; ২৯৭ কোটি টাকার সরকারি শিশু পরিবার এবং ছোটমণি নিবাস নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ; ২৯০ কোটি টাকার সিলেটের হাইটেক পার্কের প্রাথমিক অবকাঠামো নির্মাণ; ২৯২ কোটি টাকার ফরিদপুর জেলার চরভদ্রাসন উপজেলার পদ্মা নদীর ডান তীর সংরক্ষণ ও ড্রেজিং; ১৬৯ কোটি টাকার সোনাপুর থেকে চেয়ারম্যানঘাট সড়ক উন্নয়ন; ১৪৪ কোটি টাকার বীরগঞ্জ-খানসামা-দাড়োয়ানী, খানসামা-রানীরবন্দর এবং চিরিরবন্দর-আমতলী বাজার জেলা মহাসড়কে যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীত করা; ৯৯ কোটি টাকার কুলাউড়া-পৃথ্বিমপাশা-হাজীপুর-শরীফপুর সড়কের ১৪তম কিলোমিটারে পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ ও সাড়ে সাত কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ এবং ১ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকার ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার মাঝিরচর থেকে নারিশাবাজার হয়ে মোকসেদপুর পর্যন্ত পদ্মা নদী ড্রেজিং ও বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্প।

আরও সংবাদ
বিষয়:
অর্থনীতি

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেপ্তার ২২ ছাত্র দুই দিনের রিমান্ডে

পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের পৃথক দুই মামলায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ ছাত্রের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর হাকিম আবদুল্লাহ আল মাসুদ মঙ্গলবার এই আদেশ দেন।

গ্রেপ্তার আসামিরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইস্ট ওয়েস্ট, নর্থ সাউথ, সাউথইস্ট ও ব্র্যাকের ছাত্র। এর মধ্যে বাড্ডা থানা-পুলিশ ১৪ জন ছাত্রকে এবং ভাটারা থানা-পুলিশ ৮ জন ছাত্রকে আদালতে হাজির করে প্রত্যকের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে।

বেলা ৩টার দিকে আদালতের এজলাসে তোলা হলে স্বজনদের দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন ছাত্ররা। তাঁদের আইনজীবীরা আদালতের কাছে দাবি করেন, পুলিশ ধরে নিয়ে থানায় ফেলে নির্যাতন করেছে। ক্লাস শেষে বাসায় ফেরার পথে কয়েজনকে গ্রেপ্তার করেছে।Eprothomalo

তবে বাড্ডা থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জুলহাস মিয়া রিমান্ড আবেদনে বলেন, গতকাল (সোমবার) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা আফতাব নগর মেইন গেটের রাস্তায় যান চলাচলে বাধা দেয়। লাঠিসোঁটা, ইটপাটকেল দিয়ে রাস্তার গাড়ি ভাঙচুর করে। পুলিশ বাধা দিলে পুলিশের ওপর আক্রমণ করে আসামিরা। এ ঘটনার ইন্ধনদাতা এবং অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি।

পুলিশ আদালতকে জানিয়েছে, আসামিরা বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) গাড়ি ভাঙচুর করেছে। তাঁরা বাড্ডা পুলিশ ফাঁড়িতে আগুন ধরাতে গেলে পুলিশ টিয়ারশেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।অন্যদিকে ভাটারা থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাসান মাসুদ রিমান্ড আবেদনে বলেন, আসামিরা বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার অ্যাপোলো হাসপাতাল ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় লোহার রড, লোহার পাইপ ও ইট দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা করে। আসামিরা বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ঘটনাস্থলের আশপাশের দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাসার দরজা, জানালা ভাঙচুর করে। পলাতক আসামিরা জঙ্গি গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য। তাঁদের গ্রেপ্তারের জন্য আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী এ কে এম মুহিউদ্দিন ফারুক আদালতকে বলেন, পুলিশ নিরপরাধ ছাত্রছাত্রীদের ধরে নিয়ে ভয়াবহ নির্যাতন চালিয়েছে। ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রিদওয়ান আহমেদের আইনজীবী কবির হোসেন আদালতকে বলেন, ‘পুলিশ ধরে নিয়ে থানায় ফেলে মেরে তাঁর হাতের একটি আঙুল ভেঙে দিয়েছে। তৃতীয় পক্ষের যারা ষড়যন্ত্র করেছে তাঁদের পুলিশ গ্রেপ্তার না করে নিরীহ ছাত্রদের ধরে এনেছে।’

এ ছাড়া আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আদালতকে জানান, ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেপ্তার করা ছাত্রদের পরীক্ষা চলছে। ৯ আগস্ট তাঁদের পরীক্ষা আছে। জামিন না পেলে তাঁদের শিক্ষা জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

গ্রেপ্তার ছাত্র মাসাদ মরতুজা বিন আহাদ, ফয়েজ আহম্মেদ আদনান এবং আজিজুল হাকিমের আইনজীবীরা আদালতকে জানান, পুলিশ থানায় ফেলে এই ছাত্রদের বেধড়ক পিটিয়েছে। তবে এই তিনজনের ব্যাপারে পুলিশ আদালতকে প্রতিবেদন দিয়ে দাবি করছে, গ্রেপ্তার করার সময় ধস্তাধস্তির কারণে তাঁরা সামান্য আহত হন। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বাড্ডার মামলায় গ্রেপ্তার ১৪ ছাত্র হলেন, রিসালাতুল ফেরদৌস, রেদোয়ান আহমেদ, রাশেদুল ইসলাম, বায়েজিদ, মুশফিকুর রহমান, ইফতেখার আহম্মেদ, রেজা রিফাত আখলাক, এএইচএম খালিদ রেজা, তারিকুল ইসলাম, নূর মোহাম্মাদ, সীমান্ত সরকার, ইকতিদার হোসেন, জাহিদুল হক ও হাসান। আর ভাটারা থানার মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্ররা হলেন, আজিজুল করিম, মাসাদ মরতুজা বিন আহাদ, ফয়েজ আহম্মেদ আদনান, সাবের আহম্মেদ, মেহেদী হাসান, শিহাব শাহরিয়ার, সাখাওয়াত হোসেন ও আমিনুল এহসান।

আরও সংবাদ
বিষয়:
আইন ও বিচার

আহত কর্মীদের দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দুর্বৃত্তদের হামলায় দলের আহত কর্মীদের দেখতে হাসপাতালে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান প্রধানমন্ত্রী।

                                                             প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুর্বৃত্তদের হামলায় এক চোখ নষ্ট হয়ে যাওয়া স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আরাফাতুল ইসলাম বাপ্পিসহ চারজনের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উন্নত চিকিৎসার জন্য গুরুতর আহতদের প্রয়োজনে বিদেশে পাঠানোর নির্দেশ দেন তিনি।Eprothomalo

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম, সংসদ সদস্য রুহুল হক, হাবিবে মিল্লাত প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও সংবাদ
বিষয়:
শেখ হাসিনারাজনীতি

ময়মনসিংহে প্রিজন ভ্যান থেকে ছিনিয়ে নেওয়া জেএমবির মিজান ব্যাঙ্গালুরুতে গ্রেপ্তার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার খাগড়াগড় বিস্ফোরণের মূল অভিযুক্ত কাওসার ওরফে বোমা মিজানকে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা—এনআইএ গ্রেপ্তার করেছে।
ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরুর রামনগর এলাকা থেকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির এই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২০০৯ সালের ১৫ মে ঢাকার কাফরুলের তালতলা থেকে বোমা মিজানকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে তাঁর মিরপুরের বাসা থেকে বোমা, বিস্ফোরকসহ স্ত্রী হালিমাকেও র‍্যাব গ্রেপ্তার করে। এরপর ২০১৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহের ত্রিশালে প্রিজন ভ্যানে হামলা চালিয়ে ও পুলিশ হত্যা করে বোমা মিজানসহ জেএমবির তিন নেতাকে ছিনিয়ে নিয়েছিল জঙ্গিরা।

২০১৪ সালের ২ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান শহরের কাছে খাগড়াগড়ের একটি ভাড়া বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই বিস্ফোরণে জেএমবির দুই জঙ্গির মৃত্যু হয়। তারপরই প্রকাশ হয়ে পড়ে বাড়িটি ছিল জেএমবির ঘাঁটি। ওখানেই তৈরি হতো গ্রেনেড, বোমা। আর তা পাঠিয়ে দেওয়া হতো বাংলাদেশে।
এই বোমা মিজানকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ভারতের এনআইএ ১০ লাখ রুপি পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা করেছিল।Eprothomalo

এদিকে এনআইএ সূত্রে বলা হয়েছে, বোমা মিজানকে বেঙ্গালুরু থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে আনা হচ্ছে কলকাতায়। ৩ আগস্ট কেরালা থেকে এনআইএ গ্রেপ্তার করে আরও দুই জেএমবি জঙ্গিকে। এই দুজনের নাম ছিল খাগড়াগড় বিস্ফোরণ-কাণ্ডে। নাম ছিল এনআইএ আদালতের চার্জশিটও। জেএমবির জঙ্গিরা হলেন মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে তুহিন ওরফে শাহিন এবং আবদুল করিম ওরফে ছোটা। গত শুক্রবার কেরালার মল্লপুরম জেলার একটি শ্রমিক শিবির থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তুহিনকে। সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় তারই আরেক সঙ্গী আবদুল করিম ওরফে ছোটাকে। ছোটার বাড়ি মুর্শিদাবাদে। আর তুহিনের বাড়ি বীরভূমে। এরা সত্যি মুর্শিদাবাদ বা বীরভূমের কি না, এখন তা যাচাই করে দেখছেন এনআইএর গোয়েন্দারা। এই দুই জেএমবি জঙ্গি গত জানুয়ারিতে বুদ্ধ ধর্মগুরু দালাই লামার বুদ্ধ গয়া সফরের আগে বোমা বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে এনআইএ জানিয়েছে। এর আগে গত ৮ জুলাই খাগড়াগড় বিস্ফোরণ-কাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আরেক জঙ্গি সোহেল মেহফুজ ওরফে হাতকাটা নাসিরুল্লাকে গ্রেপ্তার করে এনআইএ। তার বিরুদ্ধেও খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলায় চার্জশিট দিয়েছে এনআইএ।
এবার তুহিনকে জেরা করে সন্ধান পায় বোমা বিমান ওরফে কাওসারের। তারপরই এনআইএর জালে ধরা পড়ে বোমা মিজান।
২০১৪ সালের ২ অক্টোবর দুপুরে বর্ধমান শহরের খাগড়াগড়ের দ্বিতল ভবনে বিস্ফোরক দিয়ে অস্ত্র তৈরির সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটলে দুই জঙ্গির মৃত্যু হয়। আহত হয় তিনজন। সেদিন প্রাথমিক তদন্ত শেষে পশ্চিমবঙ্গের গোয়েন্দা পুলিশ সিআইডি দাবি করে মৃত দুই জঙ্গি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সদস্য। তারা এখানে আত্মগোপন করে অস্ত্র তৈরির কাজে নিয়োজিত ছিল। এবং এখান থেকে বাংলাদেশে অস্ত্র পাঠাত। সেদিন বিস্ফোরণে তিনজন জখম হলেও একজনের অবস্থা গুরুতর ছিল। তার নাম আবদুল হাকিম। তাকে বর্ধমান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। নিহত দুই বাংলাদেশি জঙ্গি হলো শাকিল আহমেদ ও সুবহান মণ্ডল। তাদের বাড়ি বাংলাদেশে বলে পুলিশ দাবি করেছিল। এই ঘটনায় নিহত শাকিল এবং আহত আবদুল হাকিমের স্ত্রী যথাক্রমে রাজিয়া বিবি ও আলিমা বিবিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ছাড়াও পুলিশ গ্রেপ্তার করে সেদিন হাসেম মোল্লা এবং আহত জঙ্গি আবদুল হাকিমকেও। সেদিন পুলিশ কাওসার ওরফে বোমা মিজানকে ধরতে পারেনি। বিস্ফোরণের পর বোমা মিজান এবং অন্যরা পালিয়ে যায় বর্ধমান থেকে।

আরও সংবাদ
বিষয়:
অপরাধ

চাইলেও মিলছে না ২০ আগস্টের টিকিট




রাজধানীর মাজার রোড পেরিয়ে গাবতলী বাস টার্মিনালের দিকে যেতেই ডান পাশে পথের ধারে চোখে পড়ে ছোট একটি বটগাছ। এই বটগাছের ছায়ায় আজ মঙ্গলবার দুপুরে দেখা যায়, মানুষের দীর্ঘ এক লাইন ফুটপাত থেকে একেবেঁকে চলে গেছে এসআর ট্রাভেলস নামের বাস কাউন্টারের ভেতরে। এই কাউন্টার থেকে কেউ কেউ বের হচ্ছেন হাসিমুখে; কেউবা টিকিটের জন্য এসে গোমড়া মুখ করে বের হচ্ছেন।

অনেকে আবার ভ্যাপসা গরমে ঘাম ঝরিয়ে কাউন্টারের ভেতর প্রবেশের অপেক্ষা করছেন। সবার প্রত্যাশা ঈদের টিকিট। তবে শুধু টিকিট হলেই চলবে না, বেশির ভাগ যাত্রীর চাই ২০ আগস্টের টিকিট। কারণ চাঁদ দেখা হিসাবমতে, ২২ আগস্ট হতে পারে কোরবানির ঈদ। এসআর ট্রাভেলসের কাউন্টারের ভেতরে গিয়ে পছন্দমতো টিকিট চাইতেই টিকিটপ্রত্যাশীদের উত্তর মিলছে, ‘২০ আগস্টের টিকিট নেই।’Eprothomalo

টিকিটের জন্য লাইনে দাঁড়ানো খায়রুল ইসলাম নামের এক যাত্রীর সঙ্গে কথা হয়। তিনি ২০ আগস্টে রংপুর যাওয়ার টিকিট খুঁজছেন। খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদের ছুটি হবে ২১ আগস্ট থেকে। তাই ২০ আগস্টের টিকিটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এ জন্য আজ সকালে প্রথমে গাবতলীর হানিফ পরিবহনের কাউন্টারে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে জানানো হয়, ২০ তারিখের টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে গেছে। এসআর ট্রাভেলসের সামনে বেলা ১১টা থেকে দাঁড়িয়ে আছি।’

খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘২০ আগস্টের টিকিট না পেলে ১৬ আগস্ট বাড়ি যাব। ১৯ ও ২০ আগস্ট অফিস থেকে ছুটি নেব। তাহলে ২৩ আগস্ট ঈদের ছুটির পর ২৪ ও ২৫ আগস্ট শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি শেষে এ মাসের ২৬ তারিখ ঢাকায় ফিরব।’

২০ আগস্টের টিকিট আজ সকালে শেষ হয়ে গেছে জানিয়ে এসআর ট্রাভেলসের ব্যবস্থাপক আমিন নবী প্রথম আলোকে বলেন, ‘উত্তরবঙ্গের রংপুর, নওগাঁ, বগুড়া, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা ও জয়পুরহাট জেলায় আমাদের বাস সার্ভিস রয়েছে। এই সাত জেলার প্রায় সব যাত্রীই ২০ আগস্টের টিকিট চাইছেন। কিন্তু আমাদের সীমিতসংখ্যক টিকিট রয়েছে। শীতাতপ ও চেয়ারকোচ মিলিয়ে ৫৬টি বাস দিয়ে এই চাহিদা মেটানো সম্ভব নয়। পথে যানজট হলে তো অবস্থা খারাপ হতে পারে। তাই বাড়তি ট্রিপ দেওয়ারও সুযোগ নেই।’বেলা একটার দিকে একই দৃশ্য দেখা গেল হানিফ পরিবহনের কাউন্টারে। সকাল সাতটা থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হলেও ভরদুপুরে কাউন্টারের সামনে মানুষের ভিড় দেখা যায়। এখানে সবাই প্রথমে চাইছেন ২০ আগস্টের টিকিট। আরমান হোসেন নামের এক যুবক প্রথম আলোকে বলেন, ‘আগেই জানানো হয়েছে ১৬ থেকে ১৯ আগস্ট সকাল পর্যন্ত টিকিট পাওয়া যাবে। ঠিক করেছি ১৭ আগস্ট সকালে ঢাকা ছাড়ব।’

হানিফ পরিবহনের ব্যবস্থাপক (উত্তরাঞ্চল) মো. মোশাররফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ২০ আগস্ট চাহিদা থাকলেও কোরবানির ঈদে বাড়তি টিকিট দেওয়ার সুযোগ নেই। কারণ এ সময় মহাসড়কে যাত্রীবাহী হাজার হাজার বাস ছাড়াও কোরবানির পশু বহনকারী অসংখ্য ট্রাক ঢাকামুখী থাকবে।

মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘প্রতিদিন হানিফ পরিবহনের ২০০ বাস উত্তরাঞ্চল থেকে ঢাকায় চলাচল করে। ঈদের সময় এই সংখ্যাই ধরে রাখার চেষ্টা করবেন। যানজটের কারণে ট্রিপের সংখ্যা কমেও যেতে পারে। তবে সড়কের পাশে পশুর হাট না বসলে, ঢাকা-টাঙ্গাইল চার লেনের কাজ ১৪ আগস্ট থেকে বন্ধ রাখা হলে, সাভার থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত যানজট না হলে এবং সিরাজগঞ্জ থেকে চান্দাইসোনার বাজার পর্যন্ত সড়ক সংস্কার করা হলে মহাসড়ক সচল থাকবে।’

এ দিকে ঈদের টিকিটে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেন অনেক যাত্রী। প্রতিটি টিকিটে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন যাত্রীরা। এ বিষয়ে মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমরা বছরের অন্যান্য সময় ছাড় দিয়ে বাসের টিকিট বিক্রি করে থাকি। কিন্তু ঈদের সময় টিকিটের মূল্যে ছাড় দেওয়া সম্ভব হয় না। কারণ এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া বাসের আসন পূর্ণ থাকলেও ফেরার সময় সেগুলো একেবারেই খালি থাকে। এর সঙ্গে বাসচালকসহ কর্মচারীদের ঈদ বোনাস দিতে হয়। এরপরও বিআরটিএর নির্ধারিত মূল্যে ঈদের টিকিট বিক্রি করছি।’

চাহিদা থাকলেও ঈদের টিকিট বিক্রিকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলেও জানান গাবতলীর ট্রাফিক পুলিশের সহকারী কমিশনার সাইফুল আলম মুজাহিদ।

আরও সংবাদ
বিষয়:
রাজধানী

সাকিবদের ড্রেসিংরুমে ‘আমরা করব জয়’

অনেক দিন পর শোনা গেল ‘আমরা করব জয়’ গানটি। যেকোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ জয়ের পরপরই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ড্রেসিংরুম মুখরিত হয়ে ওঠে এই গানের সুরে। মাঝখানে বেশ কিছুদিন বিরতি দিয়ে ফ্লোরিডার লডারহিলের ড্রেসিংরুমে এই গান গেয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের উৎসবে মাতলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা।

বেশ কিছুদিন বিরতি দিয়েই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ড্রেসিংরুমে পরিবেশিত হলো গানটি। ‘আমরা করব জয়, আমরা করব জয়, আমরা করব জয় একদিন, আহা বুকের গভীরে আছে প্রত্যয়, আমরা করব জয় একদিন’—যেকোনো জয়ের পরপরই ড্রেসিংরুমে অনুপ্রেরণামূলক এই গান দিয়ে উদ্‌যাপন করেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। কিন্তু গত বছর ইংল্যান্ডে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিউজিল্যান্ডকে হারানোর পর এই গান যেন হারিয়েই যেতে বসেছিল। ফ্লোরিডার লডারহিলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জেতার পর বাংলাদেশ দলের ড্রেসিংরুমে আবারও সেই সুর, সেই সুরে গলা মিলিয়ে চলল আনন্দ উদ্‌যাপন।Eprothomalo

টুইটারে নিজের অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন সাব্বির রহমান। যদিও উইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজনির্ধারণী শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটিতে মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি। কিন্তু উদ্‌যাপনে যোগ দিতে তো আর বাধা নেই। দুর্দান্ত জয়ের পর তাই দলের সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়েই গাইলেন—‘আমরা করব জয়...’। সেখানে মাহমুদউল্লাহ, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, সাব্বির, আবু হায়দার, আরিফুল হক, রুবেল হোসেনরা তো ছিলেনই, যোগ দিলেন স্পিন বোলিং কোচ সুনীল যোশী এমনকি হেড কোচ স্টিভ রোডসও।

ভক্তের সঙ্গে সাকিবের আসলে কী হয়েছিল

সমর্থকদের দিকে সাকিবের তেড়ে যাওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। যিনি লডারহিলে জেতার পর ‘ল্যাপ অব অনার’ দিয়েছেন, মাঠের চারদিকে ঘুরে দর্শকদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছেন; তাঁর সঙ্গে কী এমন হয়েছিল, যে এভাবে চটে গেলেন?
ম্যাচ শেষ হোটেলে ফিরছিলেন সাকিব আল হাসান। লবিতে সমর্থকদের ভিড়। এক সমর্থকের সঙ্গে হঠাৎ তর্ক লেগে গেল। একপর্যায়ে সমর্থকের দিকে তেড়ে গেলেন, আপত্তিকর ভঙ্গি। এখানেই শেষ নয়। চলে যেতে গিয়েও আবার ফিরলেন। ভীষণ উত্তেজিত সাকিব আরেকবার তেড়ে গেলেন। পরে পরিস্থিতি সামলালেন তামিম ইকবালসহ কয়েক সতীর্থ। সমর্থকদের দিকে সাকিবের এই তেড়ে যাওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। চলছে নানা গুঞ্জন।Eprothomalo

সাকিব লডারহিলে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে সিরিজ জেতার পর ‘ল্যাপ অব অনার’ দিয়েছেন, মাঠের চারদিকে ঘুরে দর্শকদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছেন; তাঁর সঙ্গে কী এমন হয়েছিল, যে এভাবে চটে গেলেন? দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনা ঘটেছে কাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচের পর। মাঠ থেকে খেলোয়াড়েরা ফিরছিলেন টিম হোটেলে। লবিতে তখন জড়ো হয়েছেন প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ সমর্থক। বেশির ভাগই বাংলাদেশি প্রবাসী। ক্রিকেটারদের নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয়ে যায় মাতামাতি। সেলফি তোলার হিড়িক। আর সই নেওয়ার মিছিল।

এর মধ্যে এক সমর্থক সাকিবের সঙ্গে সেলফি তুলতে চেয়েছেন। অটোগ্রাফ চেয়েছেন, ভিডিও করতে চেয়েছেন। সাকিব সেলফি অথবা অটোগ্রাফ এই দুইয়ের একটি আবদার মিটিয়েছেন বলে দলের সেই সূত্র প্রথম আলোকে নিশ্চিত করে। সূত্রটি জানিয়েছে, ভক্তের চাওয়া ছিল আরও বেশি। ৪৬ দিনের দীর্ঘ সফর শেষে খেলোয়াড়েরা সবাই ভীষণ ক্লান্ত ছিলেন। সাধারণত সব সফরের শেষে এসে সবাইকে এমন ক্লান্তি পেয়ে বসে। সাকিব পারবেন না বলে সোজা হাঁটা দেন। এ সময়ই ওই সমর্থক অশালীন মন্তব্য করে বসেন। যার মূল বক্তব্য ছিল, সাকিব ভাব নিচ্ছেন। এতেই ভীষণ চটে যান বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক।

ওই সূত্রের বক্তব্য প্রথম আলো প্রত্যক্ষদর্শী আরও দুজনের কাছ থেকে শুনে নিশ্চিত করেছে। ঘটনা এটিই ছিল। সাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ফ্লোরিডা থেকে তিনিও প্রথম আলোকে এমনটাই জানান।

Monday, August 6, 2018

স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা আটক হয়নি: পুলিশ



প্রথম আলাে ফাইল ছবিপ্রথম আলাে ফাইল ছবিস্কুল কলেজের কোনো শিক্ষার্থীকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্কুলের শিক্ষার্থীদের আটক বা গ্রেপ্তারের যে খবর ছড়িয়েছে তা ঠিক নয়।

পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার মারুফ হোসেন সরদার প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রোববার এবং তার আগের দিন শনিবার ধানমন্ডি এলাকায় সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকজন স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের পুলিশ রাস্তা থেকে আটক করে নিরাপদ হেফাজতে রাখে। পরে তাদের বাবা-মাকে ডেকে তাদের অভিভাবকের হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

আন্দোলনে যুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া বা পূর্ণবয়স্ক কতজনকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে, জানতে চাইলে পুলিশর উপকমিশনার বলেন, এ বিষয়ে সঠিক তথ্য তার কাছে নেই।Eprothomalo

মারুফ হোসেন সরদার বলেন, ‘আজ শাহবাগ এলাকায় সংঘর্ষ হয়েছে। এর মধ্যেও কেউ আটক বা গ্রেপ্তার হতে পারেন। অফিসাররা থানায় না ফিরলে প্রকৃত সংখ্যা বলা যাবে না। বেশির ভাগ কর্মকর্তা আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে মাঠে রয়েছেন।’
আরও সংবাদ
বিষয়:
আইন ও বিচার

শহিদুল আলমকে অপহরণ করা হয়: রেহনুমা আহমেদ

আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে বাসা থেকে গতকাল রোববার রাতে অপহরণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন তাঁর স্ত্রী রেহনুমা আহমেদ। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর দৃক গ্যালারিতে এক সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ কথা বলেন।
রেহনুমা অভিযোগ করেন, গতকাল ধানমন্ডির ৯/এ সড়কের বাসার চারতলা থেকে শহিদুলকে ধরে নিয়ে যায় ডিবি (পুলিশের গোয়েন্দা শাখা) পরিচয় দেওয়া একদল লোক। একটু আগে তিনি সংবাদমাধ্যমে জেনেছেন, শহিদুলকে ডিবি অফিসে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু গতকাল সারা রাত ডিবি অফিসে বসে থেকেও শহিদুলের ব্যাপারে কোনো তথ্য পাননি তিনি। আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফোন করে তাঁকে ডিবি কার্যালয়ে যেতে বলা হয়েছে।
রেহনুমা লিখিত বিবৃতিতে বলেন, শহিদুলকে ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি দল অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ সময় বাড়ির সিসি ক্যামেরা ভেঙে ফেলে তারা হার্ডডিস্ক নিয়ে যায়। তিনটি গাড়িতে তারা এসেছিল। নিরাপত্তারক্ষীদের ফোন নিয়ে নিয়েছিল। কাউকে কথা বলতে দেয়নি।